৫_এশার সলাতের পরের আমল

এশার সলাতের পরের আমল

(১ বার)

আউজুবিল্লাহিল আজিম,

ওয়াবি ওয়াজহিহীল কারীম, 

ওয়া সুলতানিহীল কাদীম, 

মিনাশ শায়তানির রাজীম।

আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি, অতীব মর্যাদা ও চিরন্তন পরাক্রমশালীর অধিকারী মহান আল্লাহর কাছে বিতাড়িত শয়তান থেকে।

- পাঠকারীর সংগে থাকা শয়তান বলে, " এ লোকটি আমার (অনিষ্ট ও কুমন্ত্রণা) থেকে সারা দিনের জন্য বেঁচে গেল।" (আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, দারেমি, মুসনাদে আহমাদ, বুখারি ও মসলিম)

সূরা ফাতিহা

সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত

২.২৮৫। রাসুল তার কাছে তার রবের পক্ষ থেকে নাজিলকৃত বিষয়ের প্রতি ইমান এনেছে, আর মুমিনগণও। প্রত্যেকে ইমান এনেছে আল্লাহর ওপর, তাঁর ফেরেশতাকুল, কিতাবসমুহ ও তাঁর রাসুলগণের ওপর, আমরা তাঁর রাসুলগণের কারও মধ্যে তারতম্য করি না। আর তারা বলে, আমরা শুনলাম এবং মানলাম। হে আমাদের রব! আমরা আপনারই ক্ষমা প্রার্থনা করি, আর আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল।
 
২.২৮৬। আল্লাহ কোনো ব্যক্তিকে তার সামর্থ্যের বাইরে দায়িত্ব দেন না। সে যা অর্জন করে তা তার জন্যই এবং সে যা কামাই করে তা তার ওপরই বর্তাবে। হে আমাদের রব! আমরা যদি ভুলে যাই, অথবা ভুল করি তাহলে আপনি আমাদের পাকড়াও করবেন না।
হে আমাদের রব! আমাদের ওপর বোঝা চাপিয়ে দেবেন না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন। হে আমাদের রব! আপনি আমাদের এমন কিছু বহন করাবেন না, যার সামর্থ্য আমাদের নেই।
আর আপনি আমাদের মার্জনা করুন এবং আমাদের ক্ষমা করুন, আর আমাদের ওপর দয়া করুন। আপনি আমাদের অভিভাবক। অতএব আপনি কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন। 
 

বাংলা অর্থ 

“পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি”

(১)বরকতময় তিনি যার হাতে সর্বময় কর্তৃত। আর তিনি সব কিছুর ওপর সর্বশক্তিমান।

(২)যিনি মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন যাতে তিনি তোমাদেরকে পরীক্ষা করতে পারেন যে, কে তোমাদের মধ্যে আমলের দিক থেকে উত্তম। আর তিনি মহাপরাক্রমশালী, অতিশয় ক্ষমাশীল।

(৩) যিনি সাত আসমান স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। পরম করুণাময়ের সৃষ্টিতে তুমি কোনো অসামঞ্জস্য দেখতে পাবে না। তুমি আবার দৃষ্টি ফিরাও, কোনো ত্রুটি দেখতে পাও কি?

(৪)অতঃপর তুমি দৃষ্টি ফিরাও একের পর এক, সেই দৃষ্টি অবনমিত ও ক্লান্ত হয়ে তোমার দিকে ফিরে আসবে।

(৫)আমি নিকটবর্তী আসমানকে প্রদীপপঞ্জু দ্বারা সুশোভিত করেছি এবং সেগুলোকে শয়তানদের প্রতি নিক্ষেপের বস্তু বানিয়েছি। আর তাদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছি জ্বলন্ত আগুনের আজাব।

(৬)আর যারা তাদের রবকে অস্বীকার করে, তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আজাব। আর কতইনা নিকৃষ্ট সেই প্রত্যাবর্তনস্থল!

(৭)যখন তাদেরকে তাতে নিক্ষেপ করা হবে, তখন তারা তার বিকট শব্দ শুনতে পাবে। আর তা উথলিয়ে উঠবে।

(৮) ক্রোধে তা ছিন্ন ভিন্ন হবার উপক্রম হবে। যখনই তাতে কোনো দলকে নিক্ষেপ করা হবে, তখন তার প্রহরীরা তাদেরকে জিজ্ঞাসা করবে, ‘তোমাদের নিকট কি কোনো সতর্ককারী আসেনি’?

(৯) তারা বলবে, ‘হ্যা, আমাদের নিকট সতর্ককারী এসেছিল। তখন আমরা (তাদেরকে) মিথ্যাবাদী আখ্যায়িত করেছিলাম এবং বলেছিলাম, ‘আল্লাহ কিছুই নাজিল করেননি। তোমরা তো ঘোর বিভ্রান্তিতে রয়েছ’।

(১০) আর তারা বলবে, ‘যদি আমরা শুনতাম অথবা বুঝতাম, তাহলে আমরা জ্বলন্ত আগুনের অধিবাসীদের মধ্যে থাকতাম না’।

(১১)অতঃপর তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে। অতএব, ধ্বংস জ্বলন্ত আগুনের অধিবাসীদের জন্য।

(১২) নিশ্চয় যারা তাদের রবকে না দেখেই ভয় করে তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও বড় প্রতিদান।

(১৩) আর তোমরা তোমাদের কথা গোপন কর অথবা তা প্রকাশ কর, নিশ্চয় তিনি অন্তরসমূহে যা আছে সে বিষয়ে সম্যক অবগত।

(১৪)যিনি সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি জানেন না? অথচ তিনি অতি সূক্ষদর্শী, পূর্ণ অবহিত।

(১৫) তিনিই তো তোমাদের জন্য জামিনকে সুগম করে দিয়েছেন, কাজেই তোমরা এর পথে-প্রান্তরে বিচরণ কর এবং তাঁর রিজিক থেকে তোমরা আহার কর। আর তাঁর নিকটই পুনরুত্থান।

(১৬)যিনি আসমানে আছেন, তিনি তোমাদের সহ জমিন ধসিয়ে দেয়া থেকে কি তোমরা নিরাপদ হয়ে গেছ, অতঃপর আকস্মিকভাবে তা থর থর করে কাঁপতে থাকবে।

(১৭) যিনি আসমানে আছেন, তিনি তোমাদের ওপর পাথর নিক্ষেপকারী ঝড়ো হাওয়া পাঠানো থেকে তোমরা কি নিরাপদ হয়ে গেছ, তখন তোমরা জানতে পারবে কেমন ছিল আমার সতর্কবাণী?

(১৮)আর অবশ্যই তাদের পূর্ববর্তীরাও অস্বীকার করেছিল। ফলে কেমন ছিল আমার প্রত্যাখ্যান (এর শাস্তি)?

(১৯) তারা কি লক্ষ্য করেনি তাদের উপরস্থ পাখিদের প্রতি, যারা ডানা বিস্তার করে ও গুটিয়ে নেয়? পরম করুণাময় ছাড়া অন্য কেউ এদেরকে স্থির রাখে না। নিশ্চয় তিনি সব কিছুর সম্যক দ্রষ্টা।

(২০)পরম করুণাময় ছাড়া তোমাদের কি আর কোনো সৈন্য আছে, যারা তোমাদেরকে সাহায্য করবে? কাফিররা শুধু তো ধোঁকায় নিপতিত।

(২১) অথবা এমন কে আছে, যে তোমাদেরকে রিজিক দান করবে যদি আল্লাহ তাঁর রিজিক বন্ধ করে দেন? বরং তারা অহমিকা ও অনীহায় নিমজ্জিত হয়ে আছে।

(২২) যে ব্যক্তি উপুড় হয়ে মুখের ওপর ভর দিয়ে চলে সে কি অধিক হেদায়াতপ্রাপ্ত নাকি সেই ব্যক্তি যে সোজা হয়ে সরল পথে চলে?

(২৩)বলো, ‘তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের জন্য শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি এবং অন্তকরণসমূহ দিয়েছেন। তোমরা খুব অল্পই শোকর কর’।

(২৪) বলো, ‘তিনিই তোমাদেরকে জমিনে সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁর কাছেই তোমাদেরকে সমবেত করা হবে’।

(২৫)আর তারা বলে, ‘সে ওয়াদা কখন বাস্তবায়িত হবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও’।

(২৬)  বলো, ‘এ বিষয়ের জ্ঞান আল্লাহরই নিকট। আর আমি তো স্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র’।

(২৭) অতঃপর তারা যখন তা আসন্ন দেখতে পাবে, তখন কাফিরদের চেহারা মলিন হয়ে যাবে এবং বলা হবে, ‘এটাই হলো তা, যা তোমরা দাবী করছিলে’।

(২৮) বলো, ‘তোমরা ভেবে দেখেছ কি’? যদি আল্লাহ আমাকে এবং আমার সঙ্গে যারা আছে, তাদেরকে ধ্বংস করে দেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া করেন, তাহলে কাফিরদেরকে যন্ত্রণাদায়ক আজাব থেকে কে রক্ষা করবে’?

(২৯)বলো, ‘তিনিই পরম করুণাময়। আমরা তাঁর প্রতি ঈমান এনেছি এবং তাঁর ওপর তাওয়াক্কুল করেছি। কাজেই তোমরা অচিরেই জানতে পারবে কে স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রয়েছে’?

(৩০) বলো, ‘তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি তোমাদের পানি ভূগর্ভে চলে যায়, তাহলে কে তোমাদেরকে বহমান পানি এনে দিবে’?

-  পাঠকারীকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করবে। (তিরমিযী-২৮৯১; হাদীসটি হাসান)

 

 


৩.১৯০। নিশ্চয়ই আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিতে, এবং রাত ও দিনের পরিবর্তনে বুদ্ধিমানদের জন্য রয়েছে নিদর্শন।
৩.১৯১। যারা দাঁড়িয়ে, বসে এবং শুয়ে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টির বিষয়ে চিন্তা করে এবং বলে, “হে আমাদের রব! আপনি এসব অনর্থক সৃষ্টি করেননি। আপনি পবিত্র, অতএব আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।
৩.১৯২। হে আমাদের রব! আপনি যাকে জাহান্নামে প্রবেশ করান, নিশ্চয়ই আপনি তাকে লাঞ্ছিত করেন। আর জালিমদের জন্য কোনো সাহায্যকারী নেই।
৩.১৯৩। হে আমাদের রব! আমরা একজন আহ্বানকারীকে ঈমানের দিকে আহ্বান করতে শুনেছি—‘তোমরা তোমাদের রবের প্রতি ঈমান আনো।’ ফলে আমরা ঈমান এনেছি। হে আমাদের রব! আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করুন, আমাদের মন্দ কাজগুলো দূর করে দিন এবং আমাদেরকে সৎকর্মপরায়ণদের সঙ্গে মৃত্যু দিন।
৩.১৯৪। হে আমাদের রব! আমাদেরকে দান করুন যা আপনি আপনার রাসূলদের মাধ্যমে আমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং কিয়ামতের দিন আমাদেরকে লাঞ্ছিত করবেন না। নিশ্চয়ই আপনি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না।
৩.১৯৫। অতঃপর তাদের রব তাদের দোয়া কবুল করলেন: ‘আমি তোমাদের মধ্যে কোনো কর্মকারী—পুরুষ বা নারী—কারো কর্ম বৃথা যেতে দেব না। তোমরা একে অপরের অংশ। যারা হিজরত করেছে, নিজ ঘর থেকে বহিষ্কৃত হয়েছে, আমার পথে নির্যাতিত হয়েছে, যুদ্ধ করেছে ও শহীদ হয়েছে—আমি অবশ্যই তাদের গোনাহ মাফ করব এবং তাদের জান্নাতে প্রবেশ করাব, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে পুরস্কার। আর আল্লাহর কাছেই রয়েছে সর্বোত্তম প্রতিদান।’
৩.১৯৬। যারা কুফরী করে, দেশে দেশে তাদের দম্ভপূর্ণ চলাফেরা যেন তোমাকে ধোঁকায় না ফেলে।
৩.১৯৭। এটা তো সামান্য ভোগ-বিলাস; তারপর তাদের আবাস হবে জাহান্নাম, আর তা কতই না নিকৃষ্ট বিশ্রামস্থল!
৩.১৯৮। কিন্তু যারা তাদের রবকে ভয় করে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে আতিথেয়তা। আর আল্লাহর কাছে যা আছে, তা সৎকর্মপরায়ণদের জন্য শ্রেষ্ঠ।
৩.১৯৯। আর অবশ্যই কিতাবপ্রাপ্তদের মধ্যে এমন লোকও আছে যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, তোমার প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে এবং তাদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে, তারা আল্লাহর সামনে বিনয়াবনত হয় এবং সামান্য দুনিয়াবি লাভের বিনিময়ে আল্লাহর আয়াত বিক্রি করে না। তাদের জন্য রয়েছে তাদের প্রতিদান তাদের রবের কাছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।
৩.২০০। হে ঈমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ধারণ কর, ধৈর্যে প্রতিযোগিতা কর, সদা প্রস্তুত থাক এবং আল্লাহকে ভয় কর—যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।

  • সাধারণভাবে শেষ রাতে ঘুম থেকে উঠে এটা পাঠ করার বিষয়টি ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত (বুখারী হা/১৮৩, মিশকাত হা/১১৯৫, ১২০৯)। তবে ‘শেষ রাতে সূরা আলে ইমরানের শেষাংশ পাঠ করলে তাহাজ্জুদ ছালাতের নেকী অর্জিত হবে’ মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (দারেমী, মিশকাত হা/২১৭১)। অন্যত্র রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি রাতে একশত আয়াত তেলাওয়াত করবে, তার জন্য সারারাত ইবাদতের নেকী লেখা হবে (দারেমী, সিলসিলা ছহীহাহ হা/৬৪৪)।

সূরা কাফিরুন

১১০.১। বলুন, হে কাফিরেরা, 
১১০.২। আমি তার ইবাদাত করিনা যার ইবাদাত তোমরা কর।
১১০.৩। এবং তোমরাও তাঁর ইবাদাতকারী নও যাঁর ইবাদাত আমি করি।
১১০.৪। এবং আমি ইবাদাতকারী নই তার যার ইবাদাত তোমরা করে আসছ। 
১১০.৫। এবং তোমরা যার ইবাদত করছ আমি তার ইবাদাতকারী হব না। 
১১০.৬। তোমাদের জন্য তোমাদের দীন এবং আমার জন্য আমার দীন। 
  
  

(১ বার) (সূরা নং ৩০; রোম: ১৭-১৯)

৩০.১৭। অতএব, তোমরা আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা কর সন্ধ্যা বেলায় এবং সকাল বেলায়।
৩০.১৮। আর আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে তাঁরই জন্য সকল প্রশংসা, এবং বিকেলে ও যখন তোমরা দুপুরে উপনীত হও। 
৩০.১৯। তিনি মৃতকে জীবিত করেন এবং জীবিতকে মৃত্যু দেন। তিনি জীবিতকে মৃত থেকে বের করেন এবং মৃতকে জীবিত থেকে বের করেন। আর তিনি মৃত পৃথিবীকে জীবিত করেন। এভাবেই তোমাদেরকে (কবর থেকে) বের করা হবে।

  • যে ব্যক্তি রাতে এ আয়াত ৩টি পাঠ করবে, ঐরাতে (ওয়াযীফা ও অন্যন্য আমল) যা কিছু তার ছুটে যাবে সে তার ছওয়াব প্রাপ্ত হবে। (আবু দাউদ, তাবরানী, মুসান্নাফু ইবনে আবী শায়বা, ইবনুস সুন্নী)

সূরা ১০২: তাকাসুর


  1. প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে গাফেল করে রেখেছে,
  2. যতক্ষণ না তোমরা কবরস্থানে পৌঁছাও।
  3. কখনই নয়! শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে।
  4. আবার বলছি, কখনই নয়! শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে।
  5. কখনই নয়! যদি তোমরা নিশ্চিত জ্ঞান লাভ করতে,
  6. তবে তোমরা অবশ্যই জাহান্নাম দেখবে।
  7. আবার তোমরা তা দেখবে নিশ্চিত দৃষ্টিতে।
  8. তারপর সেদিন তোমাদেরকে নিয়ামতের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে
  • ১০০০ আয়াত তেলোয়াতের ছওয়াব পাবে। (হাকিম, বায়হাকী)
  • রাতে পাঠকারী কিয়ামতে হাসতে হাসতে আল্লাহর সাক্ষাত পাবে। (খতীব, দায়লামী)
 

আরশবহণকারী ফেরেশতাদের দোয়া 


 
 
 
 

(১ বার) প্রতেক ওয়াক্ত ফরজ সলাতের পর 

সূরা ফাতিহা +

আয়াতুল কুরসী + 

 

সূরা আল ইমরান (আয়াতঃ ১৮-১৯) + 

৩.১৮। আল্লাহ সাক্ষ্য দেন যে, তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। ফেরেশতাগণ এবং জ্ঞানীগণও (সাক্ষ্য দেয়) যে, তিনি ন্যায় প্রতিষ্ঠাকারী। তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
৩.১৯। নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট একমাত্র গ্রহণযোগ্য দ্বীন (জীবনব্যবস্থা) হলো ইসলাম। আর যাদেরকে কিতাব দেওয়া হয়েছিল, তারা পরস্পরের মধ্যে বিদ্বেষবশত জ্ঞান আসার পরই মতভেদ সৃষ্টি করেছে। আর যারা আল্লাহর আয়াতসমূহ অস্বীকার করে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদের হিসাব গ্রহণে দ্রুত।

সূরা আল ইমরান (আয়াতঃ ২৬-২৭)

৩.২৬। বলুন, হে আল্লাহ! আপনি রাজ্যের মালিক। আপনি যাকে ইচ্ছা রাজ্য দান করেন এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজ্য কেড়ে নেন। আপনি যাকে ইচ্ছা সম্মানিত করেন এবং যাকে ইচ্ছা অপমানিত করেন। আপনার হাতেই রয়েছে সকল কল্যাণ। নিশ্চয়ই আপনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
৩.২৭। আপনি রাতকে দিনের মধ্যে প্রবেশ করান এবং দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ করান। আপনি জীবিতকে মৃত থেকে বের করেন এবং মৃতকে জীবিত থেকে বের করেন। আপনি যাকে ইচ্ছা অগণিত রিযিক দান করেন।

আল্লাহ তায়ালা বলেন –

  • আমি তার ঠিকানা জান্নাতে করে দেব।
  • আমার কাছাকাছি স্থান দেব।
  • দৈনিক ৭০ বার তার দিকে দৃস্টি দেব।
  • তার ৭০ টি প্রয়োজন মিটিয়ে দেব।
  • শত্রুর কবল থেকে তাকে আশ্রয় দেব এবং তাকে শত্রুর বিরুদ্ধে জয়ী করব। [মারেফুল কুরআন]

(১ বার) প্রত্যেক নামাজের পর 

আল্লাহুম্মাগ ফিরলি খাতাইয়্যা ওয়া জুনুবি কুল্লাহা; আল্লাহুম্মা ওয়ান আশনি ওয়াজবুরনি ওয়াহ দ্বীনি লি ছালিহীল আ'মালি ওয়াল আখলাক; লা ইয়াহদি লি ছালিহিহা ওয়ালা ইয়াস রিফু সাইয়্যী আহা ইল্লা আন্তা।

হে আল্লাহ, আমার সমস্ত ভুল ভ্রান্তি ও গুনাহ মাফ করে দিন। হে আল্লাহ, আমাকে উন্নতি দান করুন। আমার ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করে দিন, আমাকে উত্তম আমল ও উত্তম আখলাকের তৌফিক নসীব করুন। কারণ, উত্তম আমল ও উত্তম আখলাকের প্রতি হেদায়াত আপনি ব্যতীত আর কেউ দিতে পারে না এবং খারাপ আমল ও খারাপ আখলাক আপনি ব্যতীত আর কেউ দূর করতে পারে না।

(১ বার) কঠিন অসূখ বা রোগমুক্তির জন্য 

  • এই আয়াতে আল্লাহ তা'আলা বান্দাকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, তিনিই একমাত্র কষ্ট দূর করতে পারেন এবং তিনিই একমাত্র কল্যাণ করার মালিক। সুতরাং, তাঁর প্রতি বিশ্বাস রাখা এবং তাঁর কাছেই সাহায্য চাওয়া উচিত।

(১ বার) ফজর, মাগরীব ও শয়ণের পূর্বে

আল্লাহুম্মা ফাতিরাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি, আলিমাল গাইবি, ওয়াশ শাহাদাতি, রাব্বা কুল্লী শাইয়্যীন ওয়া মালিকাহু, আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লা আনতা। আউজুবিকা মিন শাররি নাফসি, ওয়া মান শাররিশ শায়তানি ওয়া শিরকিহ।

(আলিফ-লাম-মীম) আস-সাজদাহ (সুরা নং- ০৩২)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

৩২.১। আলিফ লাম মীম।

৩২.২। তানঝীলুল কিতাবি লা-রাইবা ফীহি মির রাব্বিল আলামীন।

৩২.৩। আম ইয়াকুলূনাফ তারা-হু বাল হুওয়াল হাক্কু মির রাব্বিকা লিতুনযীরা কাওমাম মা-আতা-হুম মিন নাযীরিম মিন কাবলিকা লা‘আল্লাহুম ইয়াহ-তাদূন।

৩২.৪। আল্লাহুল্লাযী খালাকাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদা ওয়ামা বাইনা হুমা-ফী ছিত্তাতি আইয়্যামিন ছুম্মাস্ তাওয়া আলাল আরশি মা-লাকুম মিন দুনিহী মিও ওয়ালিইয়্যিও ওয়ালা শাফী‘ইন আফালা-তাতাযাক্কারূন।

৩২.৫। ইউদাব্বিরুল আমরা মিনাস্ সামা-য়ি ইলাল আরদি ছুম্মা ইয়া-রুজু ইলাইহি ফী ইয়াওমিন কানা মিকদা-রুহূ আলফা ছানাতিম মিম্মা-তা‘উদ্দূন।

৩২.৬। যা-লিকা আলিমুল গাইবি ওয়াশ-শাহাদাতিল আজিজুর রাহীম।

৩২.৭। আল্লাযী-আহছানা কুল্লা শাইয়িন খলাকাহূ ওয়া বাদা-আ খালকাল ইনছানি মিন ত্বীন।

৩২.৮। ছুম্মা জা‘আলা নাছলাহূমিন সুলা-লাতিম মিম মা-য়িম মাহীন।

৩২.৯। ছুম্মা ছাও-ওয়াহু ওয়ানা ফাখ ফীহি মির-রূহি-হী ওয়াজা‘আলা লাকুমুস্ সাম‘আ ওয়াল আবছা-রা ওয়াল আফ-ইদাতা কালীলাম মা-তাশকুরূন।

৩২.১০। ওয়া কালূ ইযা-দালাল্না-ফিল আরদি আইন্না-লাফী খালকিন জাদীদ বাল হুম বিলিকায়ি রাব্বিহিম কা-ফিরূন।

৩২.১১। কুল ইয়া তাওয়াফ্ফা-কুম মালাকুল মাওতিল্লাযী উক্কিলা বিকুম ছুম্মা ইলা-রাব্বিকুম তুরজা‘ঊন।

৩২.১২। ওয়া লাও তারা-ইযিল মুজরিমূনা না-কিসূ রুয়ূছিহিম ইন্দা রাব্বিহিম রাব্বানা আবছারনা-ওয়া সামি-না ফারজি-না না-মাল ছালিহান ইন্না মূকিনূন।

৩২.১৩। ওয়ালাও শিনা-লা আ-তাইনা কুল্লা নাফসিন হুদা হাওয়ালা-কিন হাক্কাল কাওলু মিন্নী লাআমলা-আন্না জাহান্নামা মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-সি আজ মা‘ঈন।

৩২.১৪। ফাযূকু বিমা-নাসীতুম লিকা-আ ইয়াও মিকুম হাযা-ইন্না নাসীনা-কুম ওয়া যূকু আযাবাল খুলদি বিমা-কুনতুম তা-মালূন।

৩২.১৫। ইন্নামা-ইউ মিনু বি-আয়াতিনাল্লাযীনা ইযা যুক্কিরূ বিহা খাররু সুজ্জ্বাদাও ওয়াসাব্বাহূ বিহামদি রাব্বিহিম ওয়া হুম লা-ইয়াস্তাকবিরূন। (সেজদা)

৩২.১৬। তাতাজা-ফা-জুনূবুহুম আনিল মাদা-জি‘ই ইয়াদ‘ঊনা রাব্বাহুম খাওফাও ওয়া তামা-আও ওয়া মিম্মা-রাযাকনা-হুম ইউনফিকুন।

৩২.১৭। ফালা-তা-লামু নাফ্সুম মাউখ-ফিয়া লাহুম মিন কুররাতি আ-ইউনিন জাঝা-আম বিমা-কানূ ইয়া-মালূন।

৩২.১৮। আফামান কা-না মুমিনান কামান কা-না ফাছিকাল লা-ইয়াছ-তাউন।

৩২.১৯। আম্মাল্লাযীনা আ-মানূ ওয়া আমিলুছ ছালিহাতি ফালাহুম জান্নাতুল মাওয়া নুঝুলাম বিমা কা-নূ ইয়া-মালূন।

৩২.২০। ওয়া আম্মাল্লাযীনা ফাসা-কুফা-মাওয়া হুমুন্নারু কুল্লামা আরাদূ আই ইয়াখরুজু মিনহা উ‘ঈদূ ফীহা- ওয়া কীলা লাহুম যূকু আযাবান্না-রিল্লাযী কুনতুম বিহী তুকাযযীবূন।

৩২.২১। ওয়া লানু যীকান্নাহুম মিনাল আযাবিল আদনা-দূনাল আযাবিল আকবারি লা‘আল্লাহুম ইয়ারজি‘ঊন।

৩২.২২। ওয়া মান আজলামু মিম্মান যুক্কিরা বি-আয়াতি রাব্বিহী ছুম্মা আরাদা আনহা ইন্না-মিনাল মুজরিমীনা মুনতাকিমূন।

৩২.২৩। ওয়া লাকাদ আ-তাইনা মূসাল কিতাবা ফালা-তাকুন ফী মির ইয়াতিম মিল্লিকাই-হী ওয়া জা‘আল্নাহু হুদাল লিবানী ইসরাইল।

৩২.২৪। ওয়া জা‘আল্না-মিনহুম আ-ইম্মাতাই ইয়াহ-দুনা বি-আমরিনা লাম্মা-ছাবারূ ওয়াকা-নূ বি-আয়াতিনা ইউকিনূন।

৩২.২৫। ইন্না রাব্বাকা হুওয়া ইয়াফসিলু বাইনাহুম ইয়াওমাল কিয়ামাতি ফীমা কা-নূ ফীহি ইয়াখ্তালিফূন।

৩২.২৬। আওয়ালাম ইয়াহদি লাহুম কাম আহলাকনা-মিন কাবলিহিম মিনাল কুরূনি ইয়ামশুনা ফী মাসা-কিনিহিম ইন্না ফী যা-লিকা লা-আয়াতিন আফালা ইয়াস-মাঊন।

৩২.২৭। আওয়ালাম ইয়ারাও আন্না-নাসূকুল মা-আ ইলাল আরদিল জুরুঝি ফানুখরিজু বিহী ঝার‘আন তাকুলু মিনহু আন‘আ-মুহুম ওয়া আনফুছুহুম আফালা-ইউবছিরূন।

৩২.২৮। ওয়া ইয়াকুলূনা মাতা-হাযাল ফাতহু-ইন কুনতুম ছাদিকীন।

৩২.২৯। কুল ইয়াওমাল ফাতহিলা-ইয়ানফা‘ঊল্লাযীনা কাফারূ-ঈমা-নুহুম ওয়ালা-হুম ইউনজারূন।

৩২.৩০। ফা‘আরিদ আনহুম ওয়ান তাজির ইন্নাহুম মুনতাজিরূন।

- মাগরীব ও ইশার মাঝখানে সূরা সাজদাহ ও মুলক পড়লে কদরের রাত্রির কিয়ামের ছওয়াব পাবে। (ইবনু মারদুবিয়া, আদ-দুররুল মনছুর)

- কিয়ামতের দিন দুটি ডানা নিয়ে পাঠকারীকে ছায়া দিবে এবং বলবে এর বিরুদ্ধে কোন পথ নেই, এর বিরুদ্ধে কোন পথ নেই।

- পাঠকারীকে কবর আযাব থেকে রক্ষা করবে এবং তার পক্ষে ঝগড়া করবে। (ইবনুদ দুরাইস, আদ-দুররুল মানছুর)

 

রাতের ফযীলতপূর্ণ ওয়াযীফা

সূরা মুলক

-  পাঠকারীকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করবে। (নাসায়ী)

 

সূরা সাজদাহ

- মাগরীব ও ইশার মাঝখানে সূরা সাজদাহ ও মুলক পড়লে কদরের রাত্রির কিয়ামের ছওয়াব পাবে। (ইবনু মারদুবিয়া, আদ-দুররুল মনছুর)

- কিয়ামতের দিন দুটি ডানা নিয়ে পাঠকারীকে ছায়া দিবে এবং বলবে এর বিরুদ্ধে কোন পথ নেই, এর বিরুদ্ধে কোন পথ নেই।

- পাঠকারীকে কবর আযাব থেকে রক্ষা করবে এবং তার পক্ষে ঝগড়া করবে। (ইবনুদ দুরাইস, আদ-দুররুল মানছুর)

 

(সূরা কিয়ামাহ; ৪০ আয়াত)

- রাতে সূরা কিয়ামাহ পাঠ করলে কিয়ামতের দিন তার চেহারা ১৪ তারিখের পূর্ণিমা রাতের ন্যায় উজ্জ্বল হবে। (তাফসীরুছ্‌ ছালাবী)

 

(সূরা মুলক্‌-৩০) + (সূরা সাজদাহ-৩০) + (সুরা কিয়ামাহ-8০) = মোট ১০০ আয়াত)

- যে ব্যক্তি ১০০ আয়াত তিলাওয়াত করবে সে কিয়ামুল্লাইলের পরিপূর্ণ সাওয়াব লাভ করবে এবং তার জন্য কুরআনের হক আদায় হয়ে যাবে । (কানুযুল উম্মাল)

- পাঠকারীকে কানেত্বীনের মাঝে লিপিবদ্ধ করা হবে এবং তার জন্য কুনুতুল্লাইল বা রাতের আনুগত্য লিপিবদ্ধ করা হবে। (মুসলিম শরীফ)

 

(সূরা দুখান; ৫৯ আয়াত)

- রাতে পাঠকারীর জন্য সত্তর হাজার ফিরিশতা সকাল পর্যস্ত ক্ষমা প্রার্থনা করবে। (তিরমিযী, বায়হাকী)

- তার পূর্বের গুনাহ্‌ ক্ষমা করা হবে। (ইবনুদ দুরাইস)

- জুমু'য়ার রাতে বা দিনে পড়লে তার জন্য জান্নাতে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করা হবে। (ইবনু মারদুবিয়া)

 

সূরা তাকাছুর

- রাতে পাঠকারী কিয়ামতে হাসতে হাসতে আল্লাহর সাক্ষাত পাবে। (খতীব, দায়লামী)

- ১০০০ আয়াত তেলোয়াতের ছওয়াব পাবে। (হাকিম, বায়হাকী)

 

 

৬। সুরা ওয়াকিয়া

(বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম)

১) ইযা-ওয়াকা‘আতিল ওয়াকি‘আহ।

২) লাইছা লিওয়াক আতিহা-কা-যিবাহ।

৩) খা-ফিদাতুর রাফি‘আহ।

৪) ইযা-রুজ্জাতিল আর-দুরাজ্জা।

৫) ওয়া বুছছাতিল জিবা-লু বাছছা।

৬) ফাকা-নাত হাবাআম মুমবাছছা।

৭) ওয়া কুনতুম আঝওয়া-জান ছালা-ছাহ।

৮) ফা আসহা-বুল মাইমানাতি মাআসহা-বুল মাইমানাহ।

৯) ওয়া আসহা-বুল মাশআমাতি মাআসহা-বুল মাশআমাহ।

১০) ওয়াছ ছা-বিকূনাছ ছা-বিকূন।

 

১১) উলা-ইকাল মুকার-রাবূন।

১২) ফী জান্নাতিন না‘ঈম।

১৩) ছুল্লাতুম মিনাল আও-ওয়ালীন।

১৪) ওয়া কালীলুম মিনাল আ-খিরীন।

১৫) আলা-ছুরুরিম মাওদূ নাহ।

১৬) মুত্তাকিঈনা আলাইহা মুতা-কাবিলীন।

১৭) ইয়াতূ ফূ‘আলাইহিম বিলদা-নুম মুখাল্লাদূন।

১৮) বি আকওয়া-বিও ওয়া আবা-রীকা ওয়াকা-ছিম মিম্মা‘ঈন।

১৯) লা-ইউসাদ্দা‘ঊনা আনহা-ওয়ালা ইউনঝিফূন।

২০) ওয়া ফা-কিহাতিম মিম্মা-ইয়াতা খাইয়ারূন।

 

২১) ওয়া লাহমি তাইরিম মিম্মা-ইয়াশতাহূন।

২২) ওয়া হূরুন‘ঈন।

২৩) কা আমছা-লিল লু-লুয়িল মাকনূন।

২৪) জাঝাআম বিমা-কানূ ইয়া‘মালূন।

২৫) লা-ইয়াছমা-ঊনা ফীহা-লাগ ওয়াও ওয়ালা-তা-ছীম।

২৬) ইল্লা-কীলান ছালা-মান ছালা-ম।

২৭) ওয়া আসহা-বুল ইয়ামীনি মা-আসহা-বুল ইয়ামীন।

২৮) ফী ছিদরিম মাখদূদ।

২৯) ওয়া তালহিম মানদূদ।

৩০) ওয়া জিল্লিম মামদুদ।

 

৩১) ওয়া মাইম্মাছ-কূব।

৩২) ওয়া ফা-কিহাতিন কাছীরাহ।

৩৩) লা-মাকতূ‘আতিও ওয়ালা মামনূ‘আহ।

৩৪) ওয়া ফুরুশিম মারফূ‘আহ।

৩৫) ইন্না আনশা-না-হুন্না ইনশাআ।

৩৬) ফাজা‘আলনা-হুন্না আবকা-রা।

৩৭) উরুবান আতরা-বা।

৩৮) লি আসহা-বিল ইয়ামীন।

৩৯) ছুল্লাতুম মিনাল আও-ওয়ালীন।

৪০) ওয়া ছুল্লাতুম মিনাল আ-খিরীন।

 

৪১) ওয়া আসহা-বুশ শিমা-লি মা-আসহা-বুশ শিমা-ল।

৪২) ফী ছামূমিও ওয়া হামীম।

৪৩) ওয়া জিল্লিম মিই ইয়াহ-মূম।

৪৪) লা-বারিদিও ওয়ালা-কারীম।

৪৫) ইন্নাহুম কা-নূ কাবলা যা-লিকা মুতরাফীন।

৪৬) ওয়াকা-নূ ইউসিররূনা আলাল হিনছিল আজীম।

৪৭) ওয়া কা-নূ ইয়া-কূলূনা আইযা-মিতনা ওয়া কুন্না-তুরা-বাও ওয়া ইজা-মান আইন্নালা মাব‘ঊছূন।

৪৮) আওয়া আ-বাউনাল আও-ওয়ালূন।

৪৯) কুল ইন্নাল আও-ওয়ালীনা ওয়াল আ-খিরীন।

৫০) লা মাজমূ‘ঊনা ইলা-মীকাতি ইয়াওমিম মা‘লূম।

 

৫১) ছুম্মা ইন্নাকুম আই ইয়ুহাদ্দাল্লুনাল মুকায-যিবূন।

৫২) লাআ-কিলূনা মিন শাজারিম মিন ঝাক্কূম।

৫৩) ফামা-লিঊনা মিনহাল বুতূন।

৫৪) ফাশা-রিবূনা আলাইহি মিনাল হামীম।

৫৫) ফাশা-রিবূনা শুরবাল হীম।

৫৬) হা-যা-নু ঝুলুহুম ইয়াও-মাদ্দীন।

৫৭) নাহনু-খালাকনা-কুম ফালাওলা তুসাদ্দিকূন।

৫৮) আফারা আইতুম্মা-তুমনূন।

৫৯) আ আনতুম তাখলুকূনাহূ আম নাহনুল খা-লিকূন।

৬০) নাহনু কাদ্দারনা-বাইনাকুমুল মাওতা ওয়ামা-নাহনু বিমাছ বূকীন।

 

৬১) আলা আন্নু-বাদ্দিলা আমছা-লাকুম ওয়া নুনশি-আকুম ফী মা-লা তা‘লামূন।

৬২) ওয়া লাকাদ আলিমতুমুন্নাশ আতাল ঊলা-ফালাওলা-তাযাক্কারূন।

৬৩) আফারা আইতুম মা-তাহ রুছূন।

৬৪) আ-আনতুম তাঝরা‘ঊনাহূ আম নাহনুঝ ঝা-রি‘ঊন।

৬৫) লাও নাশা-উ লাজা‘আলনা-হু হুতা-মান ফাজালতুম তাফাক্কাহূন।

৬৬) ইন্না-লামুগ-রামূন।

৬৭) বাল নাহনু-মাহরূমূন।

৬৮) আফারাআইতুমুল মাআল্লাযী তাশরাবূন।

৬৯) আ-আনতুম আনঝালতুমূহু মিনাল মুঝনি আম নাহনুল মুনঝিলূন।

৭০) লাও নাশাউ জা‘আলনা-হু উজা-জান ফালাওলা তাশকুরূন।

 

৭১) আফারাআই তুমুন্না-রাল্লাতী তূরূন।

৭২) আ-আনতুম আনশা-তুম শাজারাতাহা-আম নাহনুল মুনশিঊন।

৭৩) নাহনু জা‘আলনা-হা তাযকিরাতাও ওয়া মাতা-আল লিলমুকবিন।

৭৪) ফাছাব্বিহ বিছমি রাব্বিকাল আজীম।

৭৫) ফালা উকছিমু বিমাওয়া-কি ইন্নুজূম।

৭৬) ওয়া ইন্নাহূ লাকাছামুল লাও তা‘লামূনা আজীম।

৭৭) ইন্নাহূ লা কুরআনুন কারীম।

৭৮) ফী কিতা-বিম মাকনূন।

৭৯) লা-ইয়ামাছ ছুহূইল্লাল মুতাহহারূন।

৮০) তানঝীলুম মির রাব্বিল আলামীন।

 

৮১) আফা বিহা-যাল হাদীছি আনতুম মুদহিনূন।

৮২) ওয়া তাজ‘আলূনা রিঝকাকুম আন্নাকুম তুকায-যিবূন।

৮৩) ফালাও লাইযা-বালাগাতিল হুলকূম।

৮৪) ওয়া আনতুম হীনাইযিন তানজুরূন।

৮৫) ওয়া নাহনু আকরাবু ইলাইহি মিনকুম ওয়ালা-কিল্লা-তুবসিরূন।

৮৬) ফালাও-লাইন কুনতুম গাইরা মাদীনিন।

৮৭) তার জি‘ঊনাহাইন কুনতুম সা-দিকীন।

৮৮) ফাআম্মাইন কা-না মিনাল মুকাররাবীন।

৮৯) ফারাও হুও ওয়া রাইহা-নুও ওয়া জান্নাতুনা‘ঈম।

৯০) ওয়া আম্মাইন কা-না মিন আসহা-বিল ইয়ামীন।

 

৯১) ফাছালা-মুল্লাকা মিন আসহা-বিল ইয়ামীন।

৯২) ওয়া আম্মাইন কা-না মিনাল মুকাযযি বীনাদ্দাল্লীন।

৯৩) ফানুঝুলুম মিন হামীম।

৯৪) ওয়া তাসলিয়াতু জাহীম।

৯৫) ইন্না হা-যা-লাহু ওয়া হাক্কুল ইয়াকীন।

৯৬) ফাছাব্বিহ বিছমি রাব্বিকাল আজীম।

 

৮। কঠিন বিপদ থেকে মুক্তির জন্য এশার নামাজের শেষে

  • আল্লাহুম্মা সাল্লিয়ালা সায়্যেদেনা মুহাম্মাদ (১০০ বার) +
  • লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ (৪৯৯ বার) +
  • লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহীল আলিয়্যিল আজীম (১ বার)

 










Post a Comment