জামাআতে নামাযের ফযীলত

 🕌 “চলো মসজিদে যাই—প্রতিটি কদমে নেকী, গুনাহ মাফ, আর ফিরিশতার দো‘আ!” 🤲💚


🌙 জামাআতে নামাযের ফযীলত (অসাধারণ একটি হাদিস)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত—

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ

✨ “মানুষের জামাআতের সঙ্গে নামায পড়ার নেকী, তার বাজারে ও বাড়ীতে নামায পড়ার চেয়ে ২৫ বা ২৭ গুণ বেশি।”

আর এই ফযীলত আরও বাড়ে যখন—

✅ কেউ সুন্দরভাবে ওযূ করে

✅ শুধুমাত্র সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে

✅ মসজিদে আসে

তখন সে মসজিদে প্রবেশ করা পর্যন্ত—

👣 প্রত্যেক পদক্ষেপে

➤ ১টি মর্যাদা বৃদ্ধি হয়

➤ ১টি গুনাহ মাফ হয়

🕌 মসজিদে পৌঁছানোর পর আরও বড় সুসংবাদ!

মসজিদে ঢোকার পর যতক্ষণ সালাত তাকে আটকে রাখে, ততক্ষণ সে নামাযের মধ্যেই গণ্য হয়।

এবং সবচেয়ে আশ্চর্য ব্যাপার হলো— 😍

👼 ফিরিশতারা তার জন্য দো‘আ করতে থাকেন

যতক্ষণ সে ঐ জায়গায় বসে থাকে যেখানে সে নামায আদায় করেছে।

ফিরিশতারা বলেনঃ

🤲 “হে আল্লাহ! এর প্রতি দয়া কর”

🤲 “হে আল্লাহ! একে ক্ষমা কর”

🤲 “হে আল্লাহ! এর তওবা কবুল কর”

📌 তবে শর্ত হলো—

❌ সে কাউকে কষ্ট দেবে না

❌ তার ওযূ নষ্ট হবে না

🌸 শিক্ষা ও আমল

📍 জামাআতে নামায পড়া শুধু নেকী বাড়ায় না,

বরং প্রতিটি কদমে গুনাহ মাফ হয়, মর্যাদা বাড়ে,

আর ফিরিশতারা আপনার জন্য দো‘আ করে! 🥹🤲

📚 রেফারেন্স:

সহীহুল বুখারী ৬৪৫, ৬৪৬, ৬৪৭

সহীহ মুসলিম ৬৫০

তিরমিযী ২১৫, নাসায়ী ৮৩৭, ইবনু মাজাহ ৭৮৯

রিয়াদুস সলেহিন: হাদিস নং ১১

Post a Comment

Previous Post Next Post